আগামীকাল ২৬ সেপ্টেম্বর বাঙালির রেনেসাঁর অন্যতম কান্ডারি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০০তম জন্মদিন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর লেখা ও বক্তৃতায় সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন এই মনীষীকে। সেই মূল্যায়নের আলোকে বর্তমানে এই লেখায় খোঁজা হয়েছে বিদ্যাসাগরের প্রাসঙ্গিকতা।
—মালেকা বেগম
‘হে নূতন,
দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ
তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন
সূর্যের মতন।’
শুরুতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আনুষ্ঠানিক সংগীত’-এর তিনটি লাইন লিখলাম ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০০তম জন্মদিন স্মরণে। গানের এই কথাগুলো রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন নিজের জন্মদিন উপলক্ষে।
আজ এই লেখায় রবীন্দ্রনাথের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিচারণায় মূর্ত হয়ে ওঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রসঙ্গ আলোচনা করব। ‘রবীন্দ্রনাথের বিদ্যাসাগর’ শিরোনামাঙ্কিত এ লেখায় ঈশ্বর ও রবি ভাস্বর হয়েছেন স্মৃতিকথা ও স্মরণ-বক্তৃতার আলোকে। সে জন্য ১২ আশ্বিন; ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ এবং ২৫ বৈশাখ; ৭ মে ১৮৬১-এর ছেদ ঘুচিয়ে প্রবেশ করছি রবীন্দ্রচেতনার আয়নায় উদ্ভাসিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর—প্রসঙ্গ-জগতে।
